counter লাইলাতুলকদরে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন সকল মুমিন দেরকে মাফকরে দেয়: ইয়াসিম মিয়া বাবু

বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লাইলাতুলকদরে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন সকল মুমিন দেরকে মাফকরে দেয়: ইয়াসিম মিয়া বাবু

  • 57
    Shares

অস্ট্রিয়া প্রতিনিধিঃ

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আজ লাইলাতুলকদর ২১ রোজা থেকে ২৯ রোজা পর্যন্ত সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর পালিত হবে।

পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে অস্ট্রিয়া আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইয়াসিম মিয়া বাবু বলেন লাইলাতুলকদরে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন সকল মুমিন দেরকে মাফকরে দেয়। হাজার বছরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রজনী লাইলাতুলকদর রাত আল্লাহ এই রাতের উছিল্লায় আমাদেরকে এই মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি দান করুন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে শবে কদরের রাত হাজার রাতের চেয়ে পুণ্যময়। মহান আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হাজার রাতের চেয়েও উত্তম’ পবিত্র শবে কদর সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যময় রজনী। পবিত্র শবেকদরের রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ আল্লাহ’র নৈকট্য ও রহমত লাভে ইবাদত বন্দেগী করবেন।

পবিত্র রমজান মাসে লাইলাতুল কদরে পবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ আজ দিবাগত রাতে মসজিদসহ বাসা-বাড়িতে এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। এ রাতে মুসলমানগণ নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাত করবেন।

মহিমান্বিত রজনী পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন। অস্ট্রিয়া আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইয়াসিম মিয়া বাবু বলেন, ‘আমাদের ক্ষণস্থায়ী জীবনে হাজার মাসের চেয়েও বেশি ইবাদতের নেকী লাভের সুযোগ এনে দেয় এই রাত। এই মহিমান্বিত রজনী সকলের জন্য ক্ষমা, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক মহান আল্লাহর দরবারে এ মোনাজাত করি।’

অস্ট্রিয়া আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইয়াসিম মিয়া বাবু পবিত্র এই রজনীতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালা লাইলাতুল কদরের রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এ রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এ রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তাঁর অসীম রহমত, বরকত ও মাগফিরাত।’

এই বিভাগের আরো খবর