counter চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ-মহিশগাড়া ব্রীজটি মরণ ফাঁদ, দূর্ঘটনার আশংকা

বৃহস্পতিবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ-মহিশগাড়া ব্রীজটি মরণ ফাঁদ, দূর্ঘটনার আশংকা

  • 3
    Shares

ফয়সাল আজম অপু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নের নাককাটিতলা-চককির্তী সড়কের মহিষগাড়া মোড়ের ব্রীজটির মধ্যেখানে বিষাল গর্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভেঙ্গে চুরে অবহেলায় পড়ে আছে। দিনে দিনে অল্প অল্প করে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে একেবারে জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। ব্রীজতো নয় যেন এটি কোন মরণ ফাঁদ।

ব্রীজটির এক ইউনিয়ন থেকে আরেক ইউনিয়নের এই রাস্তার অবস্থা এতোটাই খারাপ যে ২০ কিলোমিটার গ্রামীন এই সড়কে যাবতীয় যানবাহন চলাচল এবং জণসাধারণের জন্য যাতায়াত মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ব্রীজটির উপরের ঢালাই ধ্বসে গিয়ে ভেতরের রডগুলো বের হয়ে আছে এবং চলাচলের জন্য সাইডে মাত্র অল্প কিছু জায়গা অবশিষ্ট রয়েছে। যার ফলে ভ্যান অটোরিক্সাও চলাচল করতে পারছে না। চরম সমস্যা হচ্ছে জণসাধারনের চলাচলেও।

এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই ব্রীজটি এই ভাবেই পড়ে আছে মেরামতের কোনো খোঁজ নাই, ব্রীজটা এতোটাই ভেঙে গিয়েছে যে গবাদি পশু থেকে শুরু করে শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শিশুদের কোনো নিরাপত্তা দিতে পারছেনা ফলে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় রকমের ভয়াবহ দূর্ঘটনা।

গৌরিশংকরপুর গ্রামের শহিদুল চিসতি বলেন, আমি প্রতিদিন এ রাস্তায় ভ্যান রিক্সায় হরেকমাল বিক্রি করতে যায়। প্রতিদিনই দেখি কোনো না কোনো ভাবে দূর্ঘটনাটা ঘটে। শিশুদেরকে নিয়ে আমাদের সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙ্গাচোরা ব্রীজের মেরামত বা সংস্করণের কোনো উদ্যেগ নিচ্ছেনা স্থানীয় চককির্তী ইউনিয়ন, ধাইনগর ইউনিয়নের মেম্বার চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় এলজিইডি কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন সেটা ভেঙ্গে পড়ে থাকলেও এলজিইডি সেভাবে নজর না দিয়ে, ছোট একটি বোর্ডে “সকল প্রকার যানবাহন চলাচল নিষেধ, সামনে ক্ষতিগ্রস্থ সেতু” সতর্ককীকরণ নেম ফলক দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে। তারপর থেকে আরও হুমড়ি খেয়ে পড়ে রয়েছে চরম ঝুঁকিতে।

চককির্তী এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গাচোরা ব্রীজটির জন্য ভারী কোন যানবাহন তো দুরের কথা জরুরী কোন রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়াটা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্রীজটি দ্রুত সংস্কার না হলে চিকিৎসার অভাবে বাড়িতে মরে থাকতে হবে।

এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসীর দাবী, সংস্কার অভাবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ব্রীজটি অতি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। সড়কে চলাচলকারী যানবাহন এবং স্থানীয় জনসাধারণের সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন এমনটাই মনে করেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

এই বিভাগের আরো খবর