counter একদিনে দুই আপনজনকে হারালাম

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং, ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

একদিনে দুই আপনজনকে হারালাম

  • 37
    Shares

ডেস্ক নিউজ : বাজেট পাসের আগে মোবাইলের কথা বলা ও ইন্টারনেটে বাড়তি শুল্ক কেন আরোপ করা হয়েছে তা জানতে চেয়ে অপারেটরদের চিঠি দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। চার অপারেটরকে শনিবার ই-মেইলে ওই চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বাজেটে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণার পর তা ইতিমধ্যে আরোপ করা শুরু হয়েছে, এটি প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া এবং সব সেবা ও ট্যারিফ অনুমোদন বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে।

বাজেটে মোবাইল সেবায় যে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, তা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক রোববার গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে জানতে চেয়ে আমরা চিঠি পাঠিয়েছি এবং এ চিঠি দিতেই পারি। নিয়ম অনুযায়ী তারা এর উত্তর দেবে। অবশ্য জাতীয় সংসদে যেদিন বাজেট ঘোষণা হয়, সেদিন থেকেই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়। অর্থবিলের ৮৮ পাতায় কোন কোন দফা অবিলম্বে কার্যকর হবে, তা উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ৮০ নম্বর দফাও আছে। এই দফার অন্তর্ভুক্ত মোবাইল সেবা।

বাজেটে সরকার মোবাইল সেবা, তথা কথা বলা, ইন্টারনেট ব্যবহার ও খুদে বার্তা পাঠানোর ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন। রাতেই কোনো কোনো অপারেটর তা কার্যকর করার কথা জানায়। কেউ কেউ কার্যকর করলেও গ্রাহকের জন্য সব ক্ষেত্রে দাম বাড়ায়নি। নতুন করহারে মোবাইল সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ১৫ শতাংশ, সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ ও সারচার্জ ১ শতাংশ। ফলে মোট করভার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এতে প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে সরকারের কাছে কর হিসেবে যাবে ২৫ টাকার কিছু বেশি, এত দিন যা ২২ টাকার মতো ছিল। মোবাইল সেবায় কর বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষ চাপে বেশি পড়বে।

এই বিভাগের আরো খবর