counter তথ্য না দেওয়ায় শেরপুর টিটিসি’র অধ্যক্ষকে ফের তলব করেছেন তথ্য কমিশন

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তথ্য না দেওয়ায় শেরপুর টিটিসি’র অধ্যক্ষকে ফের তলব করেছেন তথ্য কমিশন

  • 25
    Shares

শেরপুর প্রতিনিধি: আবেদনকারীকে তথ্য না দেওয়ায় শেরপুরের নকলার শেরপুর কারিগরী প্রশিক্ষন কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ শামছুর রহমানকে ফের তলব করেছেন তথ্য কমিশন। সাংবাদিক শফিউল আলম লাভলু’র করা অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল ৯আগস্ট তথ্য কমিশনের গবেষণা কর্মকর্তা রাবেয়া হেনা’র স্বাক্ষরিত এক সমন নোটিশের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেন। নির্দেশনায় বলা হয় করোনা ভাইরাসের কারনে জবাব দাখিল ও শুনানীর তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছিল। তাই জুম এ্যাপস ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আগামী ১৭ আগস্ট শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে চলতি বছরের ৭এপ্রিল মঙ্গলবার জবাব দাখিল ও শুনানীতে অংশগ্রহন করার জন্য তথ্য কমিশন অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

কমিশনের আদেশে বলা হয়, টিটিসির অধ্যক্ষের কাছে মৌখিক ভাবে ২০১৭/১৮ ও ২০১৮/১৯ অর্থ বছরের টিটিসির বিভিন্ন খাতে সরকারি ও বিভিন্ন প্রকল্প বরাদ্দ কত ও কি কি খাতে সেই বরাদ্দকৃত টাকা ব্যয় করা হয়েছে এবং বর্তমানে কি কি মেশিনারী টুলস মজুদ, সচল ও অচলের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন সাংবাদিক শফিউল আলম লাভলু।

পরে মো: শামছুল আলম, মহা-পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষন ব্যুরো, আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে গত বছরের ১লা ডিসেম্বরে ওই আবেদনকারী আপিল করেন। কিন্তু ওই আপিল আবেদনের জবাব না পাওয়ায় আবেদনকারী তথ্য কমিশন বরাবরে টিটিসি’র অধ্যক্ষ শামছুর রহমানের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ধারা ২৫ এর অধীনে লিখিত অভিযোগ করেন। যার অভিযোগ নং- ১৩/২০২০। ওই অভিযোগ তথ্য কমিশন আমলে নিয়ে টিটিসি’র অধ্যক্ষকে আগামী ৭এপ্রিল মঙ্গলবার শুনানিতে অংশগ্রহণ করার জন্য সমন জারি করেন। একই সঙ্গে টিটিসি’র অধ্যক্ষ শামছুর রহমান তথ্য কমিশনে উপস্থিত না হলে, তাঁর অনুপস্থিতিতে অভিযোগের শুনানি হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

নকলা উপজেলার পৌর এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক শফিউল আলম লাভলু বলেন, উপজেলার গনপদ্দিতে অবস্থিত শেরপুর কারিগরী প্রশিক্ষন কেন্দ্রে (টিটিসি)তে সরকারি ও বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতেই তথ্য চেয়েছি আমি। কিন্তু টিটিসি’র অধ্যক্ষ শামছুর রহমান কোনো তথ্য দেননি। এ কারণে ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তথ্য কমিশনে একটি আবেদন করেছি।

এই বিভাগের আরো খবর